SEO কী?
ইন্টারনেটে আপনার ওয়েবসাইটকে টিকিয়ে রাখতে গেলে SEO(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) খুবই গুরুত্বপর্ণ বিষয়। আপনার এসইও যত ভালো হবে তত আপনি গ্রাহকদের কাছে পৌঁছোতে পারবেন। আপনার SEO য।ত ভালো হবে তত আপনার ওয়েব পেজ গুগল সার্চে ওপরের দিকে উঠে আসবে। এখন গুগলে ওয়েবসাইটকে আগে রাখার জন্য লড়াইটা অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং জানতে গেলে SEO জানতেই হবে।
SEO কী?
SEO হল একটি প্রসেস যা দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা পেজ গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ওপররে দিকে তুলে আনতে পারবেন। একটু বিস্তারিতভাবে বলা যাক। ধরুন, আপনি একটি ফ্যাশন নিয়ে ওয়েবসাইট চালান। সেই ওয়েবসাইটে সম্প্রতি একটি কনটেন্ট অথবা ব্লগ আপনি লিখেছেন। লেখাটি আপনার বেবি ফ্যাশনের ওপর, মানে বাচ্চাদের ফ্যাশন নিয়ে। এখানেই SEO-র কাজ। আপনি যদি আপনার কনটেন্টে বেবি ফ্যাশন, বেবি ড্রেস এই ধরনের ট্যাগ অথবা ফ্রেস ব্যবহার না করেন তাহলে গুগলে যখন কেউ বেবি ফ্যাশন লিখে সার্চ করবে তখনআপনার পেজটি দখাবে না। সুতরাং কনটেন্টে এবং ট্যাগে আপনাকে বেবি ফ্যাশন এবং বেবি ফ্যাশন সংক্রান্ত বিভিন্ন ট্যাগ দিতে হবে যাতে গুগলে সার্চ করলে আপনার পেজটি তারা দেখতে পায়। ট্যাগ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আপনিগুগল ট্যাগ ম্যানেজারের (google tag manager) সাহায্য নিতে পারেন। SEO –র কাজ শুধু এটুকু নয়। পরে আমরা এবিষয়ে আরও বিস্তারিত জানব।
বর্তমানে ৪ কোটিরও বেশি ওয়েবসাইট রয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকার সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে ব্যবহার করে। এর মধ্যে ৯৪ শতাংশ সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পাতায় যে ওয়েবসাইটগুলো দেখায় সেখানেই ক্লিক করে। আমরা যদি SEO-কে দু’ভাগে ভাগ করি তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধে হবে। একটি হল,
1.অন পেজ SEO,
2.অফ পেজ SEO.
অন পেজ এসইও মানে আপনার ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় এবং দরকারি কি-ওয়ার্ডস থাকবে। এটার জন্য একটি সময় দরকার হয়ে। পুরোনো ওয়েবসাইটগুলোতে অন পেজ SEO বেশি কার্যকরী। সাধারণত অন পেজ SEO-তে ওয়েব মাস্টাররা সার্চ ই্জিনকে সিগন্যাল দিয়ে থাকে। যেমন আপনি কিছু লিখে সার্চ করলেন, আপনার ট্যাগের সঙ্গে লেখার মিল থাকলে আপনার ওয়েবসাইট গুগল দেখাতে পারে। সিগন্যাল ছাড়াও অনেক কিছু রয়েছে যা আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের তালিকায় ওপরের দিকে তুলে আনবে। অন পেজ search engine optimization নিয়ে কিছু জিনিস মাথায় রাখুন:
1. আপনার পেজ ক্লিক করার পর যত তাড়াতাড়ি খুলবে, SEO তত ভালো হবে।
2. আপনার ওয়েবসাইটে যে টাইটেল ট্যাগ থাকবে তা যেন মানানসই হয়। মানে, ব্রাউজারে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ করলে ব্র্যান্ের নামের নীচে একটি টাইটেল ট্যাগ দেখা যায়, এখানে তার কথাই বলা হয়েছে।
3. সার্চ রেজাল্টে URL-এর নীচে যে মেটা ডেসক্রিপশন আসে তা ভালো করে লেখা উচিত। সঙ্গে ভালো কি-ওয়ার্ড দেওয়া উচিত।
4. আপনি যে পোস্ট করছেন সেখানে চেষ্টা করতে হবে কি-ওয়ার্ের সঙ্গে মিল রেখে হেডলাইন লেখার।
5. CTR ভালো করার জন্য URL-এ আপনার কনটেন্টের কি-ওয়ার্ থাকা জরুরি।
6. চেষ্টা করবেন কনটেন্টে যেন খুব ছোটো এবং খুব বড় না হয়।
অফ পেজ SEO:
অফ পেজ search engine optimization আপনার ওয়েবসাইটের বিতরকার বিষয় নয়। এটা বাইরের অনেকগুলি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। আপনার ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য অফ পেজ search engine optimization দরকার। এখানে হাইপারলিঙ্ক, সোশ্যাল শেয়ারের মতো বিষয়গুলো রয়েছে।
Backlink: দরকারমতো আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টে অন্য ওয়েসাইটের লিঙ্ক দিতে পারেন হাইপারলিঙ্কের সাহায্যে।
Social Sharing: আপনার কনটেন্ট শেযার করার জন্য সোশ্যাল বাটনগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) গুরুত্বপুর্ণ?
1. সাধারণত কেউ সার্চ ইঞ্জিনে কিছু খোঁজার পর পেজে আসা প্রথম পাঁচটি অপশনে ক্লিক করে থাকে। সুতরাং ভিজিটরদের কাছে পৌঁছোনোর জন্য এই প্রথম পাঁচে আপনার ওয়েবসাইট থাকাটা খুব দরকার।
2. আপনার search engine optimization যত ভালো হবে তত আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও ভালো হবে।
3. সোশ্যাল প্রোমোশনের জন্য search engine optimization গুরত্বপূর্ণ।
আপনার যে প্রোডাক্টের ওপর ওয়েবসাইট চালান, আপনার মতো আরও অনেকে সেটা নিয়ে কাজ করছে। সুতরাং, search engine optimization আপনার ওয়াবসাইটকে বাকিদের থেকে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।



Comments
Post a Comment